Uncategorized

বাড়ির সজ্জা কেমন হওয়া উচিৎ

বাথরুমঃ বেশিরভাগ বাঙালি বাড়িতেই বাথরুমের অন্দর সজ্জা নিয়ে বেশি মাথা ঘামানো হয় না। কিন্তু একটা কথা আমরা ভুলে যাই যে বাথরুম হল এমন একটি জায়গা, যেখানে আমি আপনি বেশ অনেকটা সময় কাটাই! কাজেই তার অন্দর সজ্জাটাও ভাল হওয়া উচিত। বাথরুম যদি ছোট হয় তাহলে ওয়াল মাউন্টেড কমোড ফিট করুন। বেসিনের নীচের জায়গাটা বেশিরভাগ বাথ্রুমেই অব্যবহৃত হয়ে পড়ে থাকে, সেখানে একটি ক্যাবিনেট তৈরি করিয়ে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র রাখতে পারেন। চাইলে কিছু ইনডোর প্ল্যান্টসও রাখতে পারেন।

রান্নাঘরঃ রান্নাঘরে যেন পর্যাপ্ত পরিমাণে আলো ঢোকে সেদিকে অবশ্যই খেয়াল রাখুন। এখন বেশিরভাগ বাড়িতেই মডিউলার কিচেন থাকে। এতে দুটো সুবিধে, প্রথমত জায়গা বাঁচে এবং দ্বিতিয়ত দেখতে ভাল লাগে। নানা কোম্পানি এখন মডিউলার কিচেন তৈরি করে দেয়, তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করে আরামসে আপনার রান্নাঘরটিও মডিউলার করিয়ে নিতে পারেন। রান্নাঘরে কিন্তু অবশ্যই কিচেন চিমনি লাগাবেন।

বাগানঃ যদি আপনার বাড়ি হয় এবং সেখানে এক চিলতে জায়গা থাকে, তাহলে বাগান করতে পারেন। নানা ফুল গাছ লাগান, সব্জি লাগান, যা  ইচ্চে তাই করুন। চাইলে ছাদেও বাগান করতে পারেন। ফ্ল্যাটে বাগান করাটাও কিন্তু খুব একটা কঠিন না। ঘরের কোনাগুলো ব্যবহার করুন। চাইলে ঝোলানো টব রাখুন, দেখতে বেশ লাগে।

ছাদের রঙঃ আমরা বেশিরভাগ মানুষ বাড়ি তো সাজিয়ে ফেলি, কিন্তু ছাদের সাজ সজ্জা করাতে ভুলে যাই! বেশিরভাগ বাড়িতেই ছাদে এক পোচ সাদা রঙ করিয়ে একটা ফ্যান ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। চাইলে কিন্তু আপনি ঘরের বাকি দেওয়ালের সঙ্গে মানানসই করে ছাদেও রঙ করাতে পারেন। আবার যদি আপনার বাড়িতে ফলস সিলিং থাকে, তাহলে সেখানে ছোট ছোট লাইট লাগাতে পারেন।

আলোকসজ্জাঃ আলো এখন নানা রকমের হয় – ফ্লোর লাইট, ল্যাম্প শেড, ঝারবাতি বা শ্যান্ডিলিয়ার, গ্লোব লাইট, এল ই ডি, স্টার লাইট – যেটি পছন্দ লাগিয়ে ফেলুন। তবে আলো লাগানোর সময়ে অবশ্যই নিজের বাড়ির দেওয়ালের রঙ, আসবাব, পর্দার রঙ ইত্যাদির সঙ্গে মানানসই করে আলো লাগাবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.